নওদা বুরুজ | চাঁপাইনবাবগঞ্জ

0
1018
Nowda Buruj

সংক্ষিপ্ত বিবরনঃ

গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে অবস্থিত ইতিহাসসমৃদ্ধ প্রাচীন স্থাপনার নাম নওদা বুরুজ( Nowda Buruj )। চাঁপাইনবাবগঞ্জের অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা রহনপুরের খোঁয়াড়ের মোড় থেকে সোজা প্রায় এক কিলোমিটার উত্তরে এটি অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি ষাঁড়বুরুজ হিসেবে পরিচিত। দেখতে অনেকটা বড়সড় এক ঢিবির মতো। 


চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩২ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত বিখ্যাত বাণিজ্যকেন্দ্র রহনপুর। পাশ দিয়ে বয়ে গেছে নদী পুনর্ভবা। মহানন্দা ও পুনর্ভবার মিলনস্থলের কাছেই নওদা বুরুজের অবস্থান। দেখলে মনে হবে একটি বিশাল ঢিবি। কিন্তু অনুসন্ধানী চোখে দেখলে মনে হবে তমশাচ্ছন্ন ইতিহাসের কালো মেঘে স্থানটি ঢাকা।


জানা যায়, মধ্যযুগীয় বাংলার সেন রাজবংশের চতুর্থরাজা রাজা লক্ষণ সেনের আমলে (১১৭৮-১২০৬ খ্রিষ্টাব্দ) রহনপুর বাণিজ্য নগরী হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করে। সে কারণে রহনপুরেই তিনি গড়ে তোলেন সুরম্য অট্টালিকা। ষাঁড়বুরুজ নামে খ্যাত এই বিলীন অট্টালিকাটির আসল নাম ছিল শাহ Ÿুরুজ। শাহ্ শব্দের অর্থ বাদশা আর বুরুজ শব্দের অর্থ অট্টালিকা বা বালাখানা। এটিই পরবর্তী সময়ে লোকমুখে ষাঁড়বুরুজ নামে খ্যাতি লাভ করে।
বাংলা বিজয়ী বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি এই পথেই বাংলায় আগমন করেন। ইতিহাসে পরিচিত নদীয়া অঞ্চলটিও এ স্থাপনাগুলোর কাছাকাছিই অবস্থিত, যা পরে নওদা নামে পরিচিতি লাভ করে। বখতিয়ার খলজির আগমনের সংবাদে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে রাজা লক্ষণ সেন এ স্থান থেকে নদীপথে পলায়ন করেন। নওদা বুরুজের চতুষ্পার্শ্বেই শুধু নয়, গোটা রহনপুর এলাকাতেই প্রাচীনত্ব ও নগরসুলভ চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়। বিলীন হয়ে যাওয়া এই অট্টালিকার অদূরে গুমুজ নামে একটি স্থাপনা আছে। 


জানা যায়, মধ্যযুগীয় বাংলার সেন রাজবংশের চতুর্থরাজা রাজা লক্ষণ সেনের আমলে (১১৭৮-১২০৬ খ্রিষ্টাব্দ) রহনপুর বাণিজ্য নগরী হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করে। সে কারণে রহনপুরেই তিনি গড়ে তোলেন সুরম্য অট্টালিকা। ষাঁড়বুরুজ নামে খ্যাত এই বিলীন অট্টালিকাটির আসল নাম ছিল শাহ Ÿুরুজ। শাহ্ শব্দের অর্থ বাদশা আর বুরুজ শব্দের অর্থ অট্টালিকা বা বালাখানা। এটিই পরবর্তী সময়ে লোকমুখে ষাঁড়বুরুজ নামে খ্যাতি লাভ করে।
বাংলা বিজয়ী বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি এই পথেই বাংলায় আগমন করেন। ইতিহাসে পরিচিত নদীয়া অঞ্চলটিও এ স্থাপনাগুলোর কাছাকাছিই অবস্থিত, যা পরে নওদা নামে পরিচিতি লাভ করে। বখতিয়ার খলজির আগমনের সংবাদে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে রাজা লক্ষণ সেন এ স্থান থেকে নদীপথে পলায়ন করেন। নওদা বুরুজের চতুষ্পার্শ্বেই শুধু নয়, গোটা রহনপুর এলাকাতেই প্রাচীনত্ব ও নগরসুলভ চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়। বিলীন হয়ে যাওয়া এই অট্টালিকার অদূরে গুমুজ নামে একটি স্থাপনা আছে। 


লোকমুখে জানা যায়, এটি রাজা লক্ষণ সেনের বৈঠকখানা ছিল এবং এখানে তিনি তার দরবার চালাতেন। পরবর্তী সময়ে রাজা লক্ষণ সেনের অট্টালিকাটির ভেঙে পড়ে একটি পাহাড়ের রূপ ধারণ করে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এ ভগ্ন ভবনের চারপাশে বিভিন্ন বনজ গাছ লাগালেও সংরক্ষণের অভাবে সেগুলো বিনষ্ট হওয়ার পথে। অবৈধ দখলদাররা এর চারপাশে গড়ে তুলেছে অসংখ্য বসতবাড়ি। তারা এ অট্টালিকা খুঁড়ে ইট, খোয়া নিয়ে যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে নামমাত্র সাইনবোর্ড লাগানো হলেও কোনো নজরদারি নেই। ফলে দখল হয়ে যাচ্ছে রাজা লক্ষণ সেনের বাড়ি হিসেবে খ্যাত নওদা বুরুজ।
জনশ্রুতি আছে, অট্টালিকার ভেতরে মূল্যবান মূর্তি ও বিভিন্ন সম্পদ আছে। এ খবরে অনেক সময় রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা অট্টালিকাটি খুঁড়ে চুরি করার চেষ্টা চালিয়েছে।

আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে বা এই বিষয়ে কোন কিছু জানানোর থাকলে নীচের মন্তব্য বিভাগে লিখতে ভুলবেন না । আপনার ভ্রমণ পিয়াশি বন্ধুদের সাথে নিবন্ধটি শেয়ার করে নিন যাতে তারাও জানতে পারে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here